ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তন: যা জানা জরুরি
বয়ঃসন্ধিকাল
মানুষের
জীবনের
একটি
গুরুত্বপূর্ণ
পরিবর্তনের
সময়।
এই
সময়ে
একটি
ছেলে
ধীরে
ধীরে
শৈশব
থেকে
কৈশোর
এবং
পরবর্তীতে
প্রাপ্তবয়স্ক
জীবনের
দিকে
এগিয়ে
যায়।
শরীরে
হরমোনের
পরিবর্তনের
কারণে
এ
সময়
নানা
ধরনের
শারীরিক
ও
মানসিক
পরিবর্তন
দেখা
দেয়।
তাই
ছেলেদের
বয়ঃসন্ধিকালে
শারীরিক
পরিবর্তন
সম্পর্কে
সঠিক
ধারণা
থাকা
কিশোর
এবং
অভিভাবক
উভয়ের
জন্যই
গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণত ছেলেদের বয়ঃসন্ধি প্রায় ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে শুরু হতে পারে। তবে প্রত্যেকের শারীরিক বিকাশের গতি এক রকম নয়।
কারও
পরিবর্তন
একটু
আগে
শুরু
হতে
পারে,
আবার
কারও
ক্ষেত্রে
কিছুটা
দেরিতে
দেখা
দিতে
পারে।
বয়সের
সামান্য
পার্থক্য
সাধারণত
স্বাভাবিক
এবং
এটি
নিয়ে
অযথা
উদ্বিগ্ন
হওয়ার
প্রয়োজন
নেই।
সূচিপত্রঃ এই আর্টিকেল পড়ে আপনি যা যা জানতে পারবেন
- উচ্চতা দ্রুত বাড়তে শুরু করে
- শরীরের ওজন ও গঠন পরিবর্তিত হয়
- কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে যায়
- উচ্চতা দ্রুত বাড়তে শুরু করে
- মুখে ও শরীরে লোম গজায়
- ত্বকে ব্রণ দেখা দিতে পারে
- ঘাম ও শরীরের গন্ধ বাড়ে
- যৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ও পরিবর্তন
- স্বপ্নদোষ বা ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হতে পারে
- যৌন অনুভূতি ও আকর্ষণ বাড়তে পারে
- পেশি ও শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়
- ক্ষুধা ও খাবারের চাহিদা বাড়তে পারে
- শরীরের বিভিন্ন অংশের বৃদ্ধি একই সময়ে হয় না
- ত্বক ও চুলের পরিবর্তন দেখা যায়
- ঘুমের প্রয়োজন ও ঘুমের সময় পরিবর্তিত হতে পারে
- কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
উচ্চতা
দ্রুত
বাড়তে
শুরু
করে
বয়ঃসন্ধিকালে
ছেলেদের
অন্যতম
উল্লেখযোগ্য
পরিবর্তন
হলো
দ্রুত
উচ্চতা
বৃদ্ধি।
হরমোনের
প্রভাবে
হাড়
ও
পেশির
বৃদ্ধি
দ্রুততর
হয়।
অনেক
কিশোর
অল্প
কয়েক
বছরের
মধ্যে
আগের
তুলনায়
উল্লেখযোগ্যভাবে
লম্বা
হয়ে
যায়।
এই
সময়
পর্যাপ্ত
ঘুম,
পুষ্টিকর
খাবার
এবং
নিয়মিত
শারীরিক
কর্মকাণ্ড
স্বাভাবিক
বৃদ্ধিতে
সহায়তা
করে।
উচ্চতা
বৃদ্ধির
গতি
সবার
ক্ষেত্রে
সমান
হয়
না।
কেউ
আগে
লম্বা
হতে
শুরু
করে,
আবার
কারও
উচ্চতা
পরে
বাড়ে।
তাই
বন্ধু
বা
সহপাঠীর
সঙ্গে
নিজের
উচ্চতা
তুলনা
করে
হতাশ
হওয়ার
কারণ
নেই।
বংশগত
বৈশিষ্ট্যও
উচ্চতা
নির্ধারণে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখে।
শরীরের ওজন ও গঠন পরিবর্তিত হয়
বয়ঃসন্ধির সময় শুধু উচ্চতা নয়, শরীরের গঠনেও পরিবর্তন আসে। কাঁধ ধীরে ধীরে চওড়া হতে পারে এবং বুকের গঠন আরও পরিণত হতে থাকে। একই সঙ্গে পেশির আকার ও শক্তি বাড়তে শুরু করে। ফলে শিশুর মতো শরীরের গঠন পরিবর্তিত হয়ে ধীরে ধীরে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের শারীরিক কাঠামোর দিকে যায়।
এই সময় অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও কোমল পানীয় গ্রহণ করলে অস্বাস্থ্যকর ওজন বাড়তে পারে। তাই সুষম খাদ্য খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা প্রয়োজন। মাছ, ডিম, দুধ, ডাল, শাকসবজি ও ফলমূল খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো। নিয়মিত খেলাধুলা বা ব্যায়ামও শরীরের সুস্থ বিকাশে সহায়ক।
কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে যায়
বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের পরিবর্তন-এর একটি পরিচিত লক্ষণ হলো কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন। হরমোনের প্রভাবে স্বরযন্ত্র ও ভোকাল কর্ডের আকার পরিবর্তিত হতে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে শিশুসুলভ কণ্ঠস্বর ভারী ও গভীর হয়ে যায়। পরিবর্তনের সময় কণ্ঠস্বর কখনো মোটা আবার কখনো চিকন শোনাতে পারে। কথা বলার সময় হঠাৎ স্বর ওঠানামা করাও স্বাভাবিক।
মুখে
ও
শরীরে
লোম
গজায়
বয়ঃসন্ধির সময় অ্যান্ড্রোজেনসহ বিভিন্ন হরমোনের কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। এর ফলে মুখে গোঁফ ও দাড়ির লোম দেখা দিতে শুরু করে। একই সঙ্গে বগল, বুক, পা ও শরীরের অন্যান্য অংশেও লোম ঘন হতে পারে। সবার ক্ষেত্রে লোম গজানোর সময় এবং ঘনত্ব একই হয় না। কারও গোঁফ-দাড়ি দ্রুত ঘন হয়, আবার কারও ক্ষেত্রে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। এটি মূলত জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও হরমোনের ওপর নির্ভর করে। তাই অন্যের সঙ্গে নিজের লোমের পরিমাণ তুলনা করা প্রয়োজন নেই।
ত্বকে ব্রণ দেখা দিতে পারে
কৈশোরে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ত্বকের তেল উৎপাদন বেড়ে যেতে পারে। ফলে মুখে অতিরিক্ত তেল জমে ব্রণ বা পিম্পল তৈরি হতে পারে। কপাল, নাক, গাল ও চিবুকের আশপাশে ব্রণ বেশি দেখা যায়। ব্রণ হলে বারবার হাত দিয়ে চেপে ধরা উচিত নয়। এতে ত্বকে সংক্রমণ বা দাগ তৈরি হতে পারে। নিয়মিত মুখ পরিষ্কার রাখা এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঘাম ও শরীরের গন্ধ বাড়ে
বয়ঃসন্ধির সময় ঘামগ্রন্থির কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে বগল ও শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে বেশি ঘাম হতে পারে। ঘামের সঙ্গে ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ার কারণে শরীরে আগের তুলনায় বেশি গন্ধ তৈরি হতে পারে।এ কারণে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা এবং বগল পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন।
যৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ও পরিবর্তন
ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তন-এর একটি স্বাভাবিক অংশ হলো যৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ও পরিণত হওয়া। বয়ঃসন্ধির সময় অণ্ডকোষ ও লিঙ্গ ধীরে ধীরে আকারে পরিবর্তিত হয়। অণ্ডকোষে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়াও শুরু হয়। এই পরিবর্তন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং প্রজননক্ষমতা অর্জনের স্বাভাবিক বিকাশের অংশ। প্রত্যেক কিশোরের শারীরিক বিকাশের সময় আলাদা হতে পারে।
স্বপ্নদোষ বা ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হতে পারে
বয়ঃসন্ধির সময় অনেক ছেলের ঘুমের মধ্যে অনিচ্ছাকৃত বীর্যপাত হতে পারে। এটিকে সাধারণভাবে স্বপ্নদোষ বলা হয়। এটি শরীরে যৌন পরিপক্বতার অংশ এবং সাধারণত স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ঘটনা।স্বপ্নদোষ হওয়া কোনো রোগ বা দুর্বলতার লক্ষণ নয়। এর জন্য লজ্জিত বা অপরাধবোধে ভোগার প্রয়োজন নেই। কতবার হবে তার নির্দিষ্ট কোনো স্বাভাবিক সংখ্যা নেই।
যৌন অনুভূতি ও আকর্ষণ বাড়তে পারে
বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে যৌন অনুভূতি ও অন্য মানুষের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এটি শারীরিক পরিপক্বতার একটি অংশ। এ সময় কিশোরদের নিজের অনুভূতি সম্পর্কে বিভ্রান্তি বা কৌতূহল তৈরি হতে পারে। এই বিষয়গুলো নিয়ে কিশোরদের সঙ্গে অভিভাবকদের খোলামেলা ও বয়স-উপযোগী আলোচনা করা প্রয়োজন। ব্যক্তিগত সীমারেখা, সম্মতি এবং নিরাপদ আচরণ সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। ভুল তথ্যের পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে জ্ঞান অর্জন করা উচিত।
পেশি ও শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পায়
বয়ঃসন্ধির সময় হরমোনের প্রভাবে পেশির বিকাশ দ্রুত হতে পারে। ফলে ছেলেদের শারীরিক শক্তি ও কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। হাত, পা, বুক ও কাঁধের পেশি আগের তুলনায় দৃঢ় হতে পারে। এই সময় নিয়মিত খেলাধুলা ও বয়স উপযোগী ব্যায়াম শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত ভারী ওজন তোলা বা অস্বাভাবিকভাবে শরীর গঠনের চেষ্টা করা উচিত নয়। পর্যাপ্ত খাবার ও ঘুমও পেশির বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ক্ষুধা ও খাবারের চাহিদা বাড়তে পারে
দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধির কারণে বয়ঃসন্ধিকালে অনেক ছেলের ক্ষুধা আগের তুলনায় বেড়ে যায়। শরীরের বাড়তি শক্তি ও পুষ্টির প্রয়োজন মেটাতে বেশি খাবারের প্রয়োজন হতে পারে। তবে বেশি খাওয়া মানেই স্বাস্থ্যকর খাওয়া নয়। খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি থাকা দরকার। ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, ডাল, শাকসবজি ও ফলমূল উপকারী।
হাড় ও দাঁতের বিকাশে পরিবর্তন আসে
বয়ঃসন্ধিকালে হাড়ের বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং শরীরের কাঠামো আরও শক্তিশালী হতে থাকে। এই সময় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি প্রয়োজন। নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ডও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দাঁত ও মুখের পরিচ্ছন্নতার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া দরকার। দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
শরীরের বিভিন্ন অংশের বৃদ্ধি একই সময়ে হয় না
বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের সব অঙ্গ একই গতিতে বৃদ্ধি পায় না। কখনো হাত-পা আগে লম্বা হয়, পরে শরীরের অন্যান্য অংশের গঠন পরিবর্তিত হয়। এ কারণে কিছু সময় শরীরকে অস্বাভাবিক অনুপাতের মনে হতে পারে।এটি সাধারণত সাময়িক বিষয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশের বৃদ্ধি আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই সাময়িক পরিবর্তন দেখে দুশ্চিন্তা করার প্রয়োজন নেই।
ত্বক ও চুলের পরিবর্তন দেখা যায়
হরমোনের প্রভাবে মাথার ত্বকে তেল উৎপাদনও বাড়তে পারে। ফলে চুল দ্রুত তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে এবং কিছু কিশোরের খুশকির সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করা উপকারী। কারও চুল ঘন হয়, কারও চুল পাতলা থাকে। এটি স্বাভাবিক পার্থক্য। অতিরিক্ত চুল পড়া বা মাথার ত্বকে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
ঘুমের প্রয়োজন ও ঘুমের সময় পরিবর্তিত হতে পারে
বয়ঃসন্ধিকালে শরীর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক কিশোর রাতে দেরিতে ঘুমাতে চায় এবং সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হয়। হরমোন ও শরীরের জৈবিক ঘড়ির পরিবর্তনের কারণেও ঘুমের সময় কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস বজায় রাখা জরুরি। রাতে অতিরিক্ত মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার ঘুমের সমস্যা বাড়াতে পারে।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
প্রত্যেক
ছেলের
বয়ঃসন্ধি
একই
সময়ে
বা
একই
গতিতে
হয়
না।
তবে
বয়স
অনুযায়ী
বয়ঃসন্ধির
কোনো
লক্ষণ
একেবারেই
না
দেখা
গেলে
কিংবা
অস্বাভাবিক
দ্রুত
পরিবর্তন
দেখা
দিলে
চিকিৎসকের
পরামর্শ
নেওয়া
যেতে
পারে।
একইভাবে
তীব্র
ব্যথা,
অস্বাভাবিক
ফোলা,
রক্তপাত
বা
অন্য
কোনো
উদ্বেগজনক
উপসর্গ
দেখা
দিলে
অবহেলা
করা
উচিত
নয়।
অভিভাবকদের
উচিত
কিশোরের
শারীরিক
পরিবর্তন
নিয়ে
তাকে
লজ্জা
না
দেওয়া।
বরং
বন্ধুত্বপূর্ণ
পরিবেশে
তার
প্রশ্নের
উত্তর
দেওয়া
প্রয়োজন।
প্রয়োজনে
শিশু-কিশোর
বিশেষজ্ঞ
বা
সংশ্লিষ্ট
চিকিৎসকের
সাহায্য
নেওয়া
যেতে
পারে।
শেষকথাঃ
ছেলেদের
বয়ঃসন্ধিকালে
শারীরিক
পরিবর্তন
সম্পূর্ণ
স্বাভাবিক
মানবিক
বিকাশের
অংশ।
উচ্চতা
বৃদ্ধি,
কণ্ঠস্বর
ভারী
হওয়া,
গোঁফ-দাড়ি
গজানো,
ব্রণ
হওয়া,
শরীরের
গঠন
পরিবর্তন
এবং
যৌন
পরিপক্বতাসবই
এই
সময়ের
স্বাভাবিক
পরিবর্তনের
অন্তর্ভুক্ত
হতে
পারে।
প্রত্যেক
কিশোরের
শরীর
নিজস্ব
গতিতে
বিকশিত
হয়,
তাই
অন্যের
সঙ্গে
নিজের
শরীরের
তুলনা
করা
উচিত
নয়।
সঠিক
পুষ্টি,
পর্যাপ্ত
ঘুম,
নিয়মিত
শারীরিক
কর্মকাণ্ড,
ব্যক্তিগত
পরিচ্ছন্নতা
এবং
পরিবারের
ইতিবাচক
সহযোগিতা
একজন
কিশোরের
সুস্থ
বিকাশে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখে।
বয়ঃসন্ধি
নিয়ে
ভয়
বা
লজ্জা
নয়,
বরং
সঠিক
জ্ঞান
ও
সচেতনতা
প্রয়োজন।
কোনো
অস্বাভাবিকতা
বা
উদ্বেগ
থাকলে
নির্ভরযোগ্য
চিকিৎসকের
পরামর্শ
নেওয়াই
সবচেয়ে
নিরাপদ
সিদ্ধান্ত।


ঘরজামাই এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url