প্রেম ও বিবাহ কবে হবে? জেনে নিন জন্ম তারিখ অনুযায়ী

'জন্ম মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে' এটি একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ বাক্য। যার অর্থ মানুষের জন্ম, মৃত্যু এবং বিয়ে এই তিনটি জিনিস তার নিজের হাতে থাকে না বরং এগুলো নির্ধারণ করে দেন স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা। তাই এই তিনটি জিনিস নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতুহলের অন্ত নেই। তবে এর মধ্যে সবচাইতে বেশি কৌতুহল মানুষের যেটিতে অনুভব করে সেটি হচ্ছে বিবাহ। প্রত্যেক ধর্ম অনুযায়ী একজন নর ও একজন নারীর মধ্যে এই সম্পর্ক তৈরি হয়। 

ইসলাম ধর্ম অনুসারে বিবাহ একটি পবিত্র সম্পর্ক এবং এটি একটি ফরজ ইবাদত। যেটি প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারী এবং একজন নরের জন্য প্রযোজ্য।

প্রেম ও বিবাহ কবে হবে? জেনে নিন জন্ম তারিখ অনুযায়ী


বিয়ে নিয়ে এই কৌতুহল মানুষের মনে ঘোরাফেরা করার কারণে, সবাই জানতে চাই যে তার বিয়ের তারিখ টি কবে হবে। আসলে এই সম্পর্কে আমরা মোটামুটি একটি ধারণা পেতে পারি সংখ্যাতত্ত্বের মাধ্যমে। সংখ্যা তত্ত্বের মাধ্যমে একজন মানুষের বিবাহের সঠিক সময় নির্ধারণ করা সম্ভব। সংখ্যা তত্ত্ব বিশারদগণ মনে করেন যদি কোন ব্যক্তি সংখ্যা তত অনুসারে তার জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ইত্যাদি তৈরি করে থাকেন তাহলে তার জীবনে সুখের সম্ভবনা অনেক বেড়ে যায় এবং এ সমস্ত অনুকূল দিনে যদি তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো ঘটে তাহলে সেই সময় গুলো তার জন্য অত্যন্ত আনন্দের হতে পারে আমরা এ পর্যন্ত যে সমস্ত আলোচনা করলাম তাতে করে আমাদের মনের মধ্যে একটি কৌল জন্ম নিয়েছে আর সেই কৌতুহলটি হচ্ছে সংখ্যা তত্ত্ব এখন আমরা জেনে নেব সংখ্যা তত্ত্ব কি?

সংখ্যা তত্ত্ব কি?

সংখ্যা তত্ত্ব শব্দটি সাধারণত দুইটি স্থানে ব্যবহার হতে দেখা যায় একটি হচ্ছে গণিত শাস্ত্রে আরেকটি হচ্ছে জ্যোতিষ শাস্ত্রে আমরা এখন আলোচনা করব জ্যোতিষ শাস্ত্রে সংখ্যাতত্ত্ব কি? জ্যোতিষ শাস্ত্রের সংখ্যা তত্ত্ব কোন বৈজ্ঞানিক গণিত ছাত্র বা গণিত তথ্য নয় এটি প্রথাগত গণিত প্রথম হয় এটি মূলত একটি বিশেষ গত আধ্যাত্মিক বা প্রাচীন আধ্যাত্মিক বিশ্বাস পদ্ধতি এই তথ্য অনুযায়ী প্রতিটি সংখ্যা এটি নির্দিষ্ট মহাজাগতিক কম্পন বা শক্তি রয়েছে

সংখ্যা তত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয় 

মানুষের জন্ম তারিখ এবং নামের অক্ষরের শঙ্খিক মান বিশ্লেষণ করে তার চরিত্র তার ভাগ্য এবং একজন ব্যক্তির ভবিষ্যতের সম্পর্কে অনুমান করার সম্ভব জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী মনে করা হয় কোন ব্যক্তি তত্ত্ব মেনে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন উদযাপন করেন তাহলে তার জন্য সুখকর দিনে সংখ্যার পরিমাণ বেড়ে যায়

সংখ্যাতত্ত্বের মূল ভিত্ত

সংখ্যা তত্ত্বের মূল ভিত্তি হচ্ছে মূলংক সংখ্যা যদি বা নিউমেরোলজিতে মূলংক হচ্ছে কোন ব্যক্তির জন্ম তারিখের যোগফল মাসে যে তারিখে একজন ব্যক্তির জন্ম সেই সংখ্যাটির যদি একক সংখ্যা হয় অর্থাৎ এক থেকে নয় হয় তাহলে তার মূলংক হবে একক সংখা আবার যদি কোন ব্যক্তির জন্ম তারিখ যদি দুই সংখ্যার হয় অর্থাৎ ১১ ১২ ১২ সেক্ষেত্রে দুইটি সংখ্যার যোগফল হবে তার মূল অংক। 

উদাহরণঃ জন্মতারিখ ১-৯ মূলাঙ্ক হবে একক সংখ্যার, আবার জন্ম তারিখ ১১-২৯ সেক্ষেত্রে দুইটি সংখ্যার যোগফল। অর্থাৎ ১+১=২, ২+৯=১১/১+১=২

কিভাবে পাবেন আপনার মূলংক

আপনার জন্ম তারিখ যদি হয়ে থাকে ৯ তাহলে আপনার মূলংক হবে ৯। যদি আপনার জন্ম তারিখ হয়ে থাকে ১২ তাহলে ১+২=৩ অর্থাৎ তিন আপনার। আবার কারো জন্ম তারিখ যদি হয় ২৮ অর্থাৎ ২+৮=১০ সেক্ষেত্রে ১+০=১ হবে উক্ত ব্যাক্তির মূলাঙ্ক। 

ব্যক্তিগত বছর নম্বর

এবার আমরা জেনে নেব কিভাবে হিসাব করতে হবে নিজের ব্যক্তিগত বছর নম্বর। ধরে নেওয়া যাক, কারো জন্ম ১২/০৩/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ 

তারিখ ---১২ অর্থাৎ ১+২=৩

মাস--- ০৩ অর্থাৎ ০+৩=৩

বছর---২০২৬ অর্থাৎ ২+০+২+৬=১০ অর্থাৎ ১+০=১

তাহলে তার ব্যক্তিগত বছর নম্বর হবে, ৩+৩+১=৪

কোন ব্যক্তিগত বছর নম্বর কিসের প্রতীক 

এবারে আমরা জেনে নেব কোন ব্যক্তিগত ও বছর নম্বর কিসের প্রতীক 

  • ১ = নেতৃত্ব নতুন সুযোগ তৈরি এবং যে কোন নতুনের শুরু
  • ২= ধৈর্য পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি
  • ৩= পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি সৃজনশীলতা ও আনন্দের প্রাচুর্যতায়
  • ৪= পরিশ্রম যে কোন জিনিসের ভিত্তি তৈরি ছিল স্থিতিশীলতা
  • ৫= নতুন যে কোন অভিজ্ঞতা ভ্রমণ এবং যেকোনো ধরনের পরিবর্তন
  • ৬= পরিবার দায়িত্ববোধ এবং বিবাহ
  • ৭= আধ্যাত্মিকতা শিক্ষা এবং আত্মবিশ্লেষণ
  • ৮= সাফল্য পাওয়া অর্থযোগ এবং ক্যারিয়ারের উন্নতি
  • ৯= পুরনো অধ্যায়ের সমাপন

আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ১, ১০, ১৯ বা ২৮ তারিখ থাকলে আপনি ১ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ১ ,১০ ,১৯ বা ২৮ তারিখে হয় , তাহলে আপনার বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা একটু বেশি যেহেতু আপনি একটু লাজুক স্বভাবের এবং শান্ত প্রকৃতির এই কারণে প্রেমের ব্যাপারে আপনি বেশি দূর এগোতে পারছেন না তাই আপনার প্রেমের বিয়ের ক্ষেত্রে সুযোগ একেবারেই কম অর্থাৎ আপনার বিয়ে হবে পারিবারিকভাবে হঠাৎ সেটেল ম্যারেজ। আপনার অধিপতি হলেন  তেজদীপ্ত  সূর্যদেব। তবে আপনি কিছুটা স্বাধীনচেতা এবং নেতৃত্বের ক্ষমতা আপনার মধ্যে রয়েছে। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ২, ১১, ২০ বা ২৯ নম্বর থাকে তবে আপনি ২ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ২, ১১, ২০ বা ২৯ তারিখে হয়, তাহলে আপনি বুদ্ধিমান এবং প্রেমময় প্রকৃতির। এই শ্রেণীর লোক যাকে পছন্দ করে অর্থাৎ যার সাথে প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত হয় তাকেই সাধারণত বিয়ে করে তাদের মধ্যে একটি বিশেষ বিষয় হলো তারা প্রেমের ক্ষেত্রে একেবারেই স্বপ্নদ্রষ্টা। সাধারণত কোন ধরনের কোন চিন্তা না করেই তারা প্রেমের জগতে পা রাখেন তাই এই ট্রেনিং লোকেদের ভাগ্যে প্রেমের বিয়ের থাকে। আপনার অধিপতি হচ্ছে চন্দ্র দেব এই জাতক জাতিকার কাছে ভালোবাসায় সবকিছু এরা ভালোবাসার বন্ধনে জড়াতে কোন ধরনের কোন অধ্যাপক করে না। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৩, ১২, ২১ বা ৩০ নম্বর থাকে তবে আপনি ৩ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৩, ১২, ২১ বা ৩০ তারিখে হয়, তাহলে এই শ্রেণীর লোকেরা সাধারণত প্রেমে সফল হয়, কখনো কখনো এদের কাছে প্রেম ঈশ্বরের রূপ হিসেবে ধরা দেয় অর্থাৎ তারা প্রেমকে ঈশ্বরের জায়গায় বসান। আপনার অধিপতি কারো বৃহস্পতি । এই শ্রেণীর লোক সাধারণত জ্ঞানী উচ্চ আক্রান্তি এবং সদ ভাবে জীবন যাপন করতে পছন্দ করে। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৪, ১৩, ২২ বা ৩১ নম্বর থাকে তাহলে আপনি ৪ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৪, ১৩, ২২ বা ৩১ তারিখে হয়, তাহলে আপনি শান্ত ও রঙিন প্রকৃতির এই শ্রেণীর লোকেদের জীবনে প্রেম আসে নানান রূপে কখনো কখনো তারা প্রেমের বিষয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ে যান ভালোবাসার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে একটু চঞ্চলতা লক্ষ্য করা যায় অর্থাৎ ভালোবাসার ক্ষেত্রে যতটা ম্যাচিউরিটি এবং যতটা গভীরতা থাকা দরকার অনেক সময় পরিলক্ষিত হয় না। এই শ্রেণীর লোকেদের অধিপতি হচ্ছে রাহু। স্বাভাবিকভাবে তারা একটু রাগী প্রকৃতির হয়ে থাকে। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৫, ১৪ বা ২৩ হয় তাহলে আপনি ৫ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৫, ১৪ বা ২৩ তারিখে হয়, তাহলে আপনি প্রচলিত পদ্ধতিতেই বিয়ে করতে আগ্রহী শ্রেণীর লোকেদের কাছে পরিবার বড়দের আদেশ সম্মান এবং প্রতিপত্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ের ক্ষেত্রে পরিবারের সিদ্ধান্ত এবং মতামত তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। আপনার অধিপতি কারক বুধ। এরা সাধারণত বুদ্ধিদীপ্ত প্রচন্ড রকমের মিশুকে এবং সম্পর্কের প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল হয়ে থাকে। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৬, ১৫ বা ২৪ থাকলে আপনি ৬ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৬, ১৫ বা ২৪ তারিখে হয়, তাহলে আপনি সম্পর্কের প্রতিস্থিতিশীলতা রাখতে অক্ষম এই শ্রেণীর লোকেরা ভালোবাসে কিন্তু একজনের প্রতি অনুরক্ত থাকতে পারে না তাদের কারো কারো সাথে সম্পর্ক রয়েছে এ কারণে অনেক সময় তাদের সম্পর্ক রক্ষা করতে সমস্যা তৈরি হয়। আপনার অধিপতি হচ্ছে কারক শুক্র এরা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমান্টিক প্রকৃতির হয়ে থাকে। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৭, ১৬ বা ২৫ হলে আপনি ৭ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৭, ১৬ বা ২৫ তারিখে হয়, তাহলে সাত শব্দটি সাত পাকের মত অত্যন্ত উৎসব লাজুক প্রকৃতির হওয়ায় কারো কাছে মন খুলে কথা বলতে পারেনা কারো প্রতি যোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের কাছে মনের ভাব প্রকাশ করতে প্রায়য়সী ব্যর্থ হয়। তবে তাদের একজন সবসময় এই বিষাক্ত সঙ্গী থাকে। এদের অধিপতি হচ্ছে কেতু। এরা লাজুক কিন্তু আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকে। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৮, ১৭ বা ২৬ নম্বর থাকে তাহলে আপনি ৮ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৮, ১৭ বা ২৬ তারিখে হয়, তাহলে স্বতন্ত্র এদের অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ হয়ে থাকে তবে হঠাৎ করে কখনো প্রেমে পড়লে তাদের প্রেমের বিয়ের হওয়ার সম্ভাবনাও থাকতে পারে এর শ্রেণী লোকেরা পারস্পরিক বোঝাপড়াতে বিশ্বাসী হয় যার কারণে যেকোনো ধরনের সম্পর্ক ক্ষেত্রে যত্নশীল হয়ে থাকে। এদের অধিপতি হচ্ছে শনিদেব। এদের প্রধান গুণ হচ্ছে বিশ্বস্ততা ও সততা। 


আপনার জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৯, ১৮ বা ২৭ হয় তাহলে আপনি ৯ নম্বর

অপনার পৃথিবীতে আগমন যদি ৯, ১৮ বা ২৭ তারিখে হয়, তাহলে তাহলে আপনি প্রেমের ক্ষেত্রে একটু দূরত্ব বজায় রাখতে পছন্দ করেন কারন এই শ্রেণীর লোকেরা মনে করে প্রেমের ক্ষেত্রে সুখের চাইতে দুঃখের পরিমাণ বেশি তাই তারা এ ধরনের সম্পর্কে জড়াতে চান না এবং তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পারিবারিকভাবেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। লোকেদের অধিপতি হচ্ছে কারো মঙ্গল এদের মধ্যে যৌন চাহিদা বেশি থাকে এবং শারীরিক সম্পর্কে ক্ষেত্রেও এরা বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এরা সাধারণত স্পষ্টভাষী এবং সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত যত্নশীল হওয়ার কারণে তারা সঙ্গীর সাথে একাত্ম হতে পারেন। 

জন্ম তারিখ অনুযায়ী মুসলিম সমাজে বিয়ে

জন্মতারিখ অনুযায়ী মুসলিম সমাজে বিয়ের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কোন নিয়োগ বা বাধকতা নেই বর্তমান বাংলাদেশে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়ে তাদের নিজের ইচ্ছায় বা পারিবারিকভাবে বিয়ে করতে পারে সে ক্ষেত্রে ছেলের বয়স ২১ বছর এবং মেয়ের বয়স ১৮ বছর হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী ছেলে এবং মেয়ে বালেগা হলে তাদেরকে বিয়ে দেওয়া উচিত। 

শেষ কথা

যেহেতু বিবাহ মানুষের প্রত্যেকের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা সুতরাং প্রত্যেকেই তার বিবাহ নিয়ে একাধিক জিজ্ঞাসা মনের নিঘুড়ে কেউ কেউ মনে মনে ভাবে তার যে বিয়ের দিন টা সেটা শুভ হোক সুন্দর একটি দিন হোক যাতে করে তার পরবর্তী জীবন আরো বেশি সুন্দর এবং মধুময় হয় আমরা হিন্দু ধর্মের ক্ষেত্রে দেখতে পাই জন্মের পুষ্টি বিচার এছাড়াও বিভিন্ন দিনক্ষণ গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান ইত্যাদি বিবেচনা করে বিয়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয় এর পেছনে একটি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর সেটা হচ্ছে বিবাহ পরবর্তী জীবন নতুন দম্পতির জন্য যেন সুন্দর এবং সার্থক ময় হয়। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ঘরজামাই এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url